এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিন ম্যাচের সিরিজ হেরে বসেছিলেন ভারত। ভারত চেয়েছিলো শেষের ম্যাচটা জিতে হোয়াইটওয়াশ থেকে বেঁচে ফিরতে। কিন্তু তা হলো না। অনেকটা কাছেই গিয়েছিলেন জিতার।কিন্তু শেষ রক্ষা হলো নাহ। 


কেপটাউনে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে খেলায় হোয়াইটওয়াশ হয়ে গেলো ভারত। শেষ ম্যাচ চার রানে হেরে গেলো ভারত। লোকেশ রাহুলের তরী ডুবলো তীরে এসে। ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলের দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারত। জানা যায় এর আগেও একবার এমনটা টেস্ট সিরিজও হেরেছিলেন ভারত। 


টস হেরে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি ককের সেন্সুরিতে রান করে ২৮৭ রানে অলআউট হয়েছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। পরের ইনিংসে ২৮৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। মাএ ৪ রানের ব্যবধানে হেরে যায় ভারত। 


ভারতের শেষ ১৮ বলে দরকার ছিলো মাএ ১০ রান। দীপক চাহার জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন কিন্তু হলো না জয়৷ দীপক চাহার করেছিলেন ৩৩ বলে ৫৪ রান। কিন্তু এই ব্যাটারকে ৪৮ তম ওভারের ১ম বলে খেয়ে নেন লুঙ্গি এনগিদি। দীপক চাহার আউট হওয়ায় ফের লড়াইয়ে আসেন দক্ষিণ আফ্রিকা। বলা যায় দীপক চাহার আউট হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের আশা ফিরে পান। 


লুঙ্গি এনগিদির পরের ৫ বলে দেন মাএ ২ রান। দীপক চাহার পরে ব্যাটে আশে বুমরাহ। কিন্তু বুমরাহ এবং ইয়ুজবেন্দ্র ২ রান করেন। ৪৯ ওভারে আন্দেলো ফেহলুখায়োও ২ রানের বিনিময়ে আউট করেন বুমরাহকে। এই সময় দক্ষিণ আফ্রিকার জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।  


শেষ ওভার বলে ভারতের দরকার ছিলো ৬ রান। কিন্তু সমস্যা হলো হাতে মাএ উইকেট একটি। শেষ ওভারে খেলতে নামে চাহাল পুল। কিন্তু চাহাল পুল বল পেয়ে ৬ মারতে গিয়ে বল যায় আকাশে।  ভাঙলো ভারতের জয়। শেষ পর্যন্ত রক্ষা হলো না ভারতের। জিতে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।


অথচ ৭৩ বলে ৬১ রান করেন শিখর ধাওয়ান ও ৮৪ বলে ৬৫ রান করেন বিরাট কোহলি, তারা দুইজন হাফসেন্সুরি করেন। তাদের রানের পরে সূর্যকুমার যাদবের ৩২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে যায় ২২৩ রান ৬ উইকেটে। তারপর নানারকম নাটকের পর হোয়াইটওয়াশ হয়ে যায় ভারত।


প্রথমের দিকে ভালো রান করেন ভারত কিন্তু শেষের দিকে কপাল খারাপের কারণে হেরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। শুধু হেরে যায়নি,  হয়েছেন হোয়াইটওয়াশ।  সিরিজের একটি ম্যাচও জিততে পারলো না ভারত। সব কয়টি ম্যাচ হেরে যায় ভারত দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। এর আগেও টেস্ট সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিলেন ভারত। এই নিয়ে ২ বার এমন পরিস্থিতির শিকার হলেন তারা। 


উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক এত বড় সংগ্রহ এর পেছনে অনেক অবদান রাখেন। ডি কক ভারতে বিপক্ষে ৬ষ্ঠ ও ওয়ানডেতে ১৭ তম সেন্সুরিতে ১২ চার ও ২ ছয় এর মাধ্যমে ১৩০ রানে ১২৪ রান করেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার ডি কক। তিনি জয়ের আসল কারণ হয়েছেন। সকলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ডি কক। 


ভারত সব সময় ভাল খেলে এটা কম বেশি সবাই যানে। কিন্তু হটাত দক্ষিন আফ্রিকার কাছে এইভাবে হেরে যাবে কখন বুঝতে পারেনে কেও।  তিন ম্যাচের মধ্যে সব কইটি হেরে জাই ভারত। ভিরাট কলি ভাল খেলেও কিছু করতে পারলো না দলের জন্য। 


এইদিকে দক্ষিন আফ্রিকা খুব ভাল খেলেছেন এটা অবশ্যই বলতে হই। কেননা সিরিজের সব কইটি হারিয়েছেন ভারত কে। ডি কক সহ সবার চেষ্টার ফলে ম্যাচ নিয়ে জেতে পেরেছেন কাংখিত সেই জাইগাই। 


এই সিরিজটা অনেক গরম গরম খেলা হয়েছে। কেননা হোয়াইটওয়াশ হয়েছেন ভারত এর মত কঠিন দল। অনেকটা লজ্জার মধ্যে দিয়ে হেরেছেন ভারত। 


ভারত এর এই হারাটি নিয়ে অনেকের মধ্যে নানা রকম কথা বের হচ্ছে। তাদের কপাল খারাপ এর জন্য হোয়াইটওয়াশ হয়েছেন দক্ষিন আফ্রিকার কাছে। 

Post a Comment

Previous Post Next Post